বিনোদন

বোনের পোশাকে ক্যামেরার সামনে ঐন্দ্রিলার দিদি! গল্প লিখলেন প্রেমিক সব্যসাচী

দেখতে দেখতে বছর পেরিয়েছে, সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা। অনুরাগীদের কাছে তাঁর স্মৃতি ফিকে হতে শুরু করেছে ধীরে ধীরে। কিন্তু বাবা মা দিদির কাছে আজও জীবন্ত ঐন্দ্রিলা শর্মা। তাঁর প্রতিটা মুহূর্ত আজও একই রকম টাটকা পরিবারের কাছে। তাই তো মৃত্যুর এক বছর পর আবার খুঁচিয়ে উঠছে সেই দগদগে ক্ষত।এত মাস পরেও আবার জীবন্ত হয়ে উঠেছে সে। তাই এবার বোনের ইউটিউব চ্যানেলে নতুন করে ভিডিও দিয়ে সেই স্মৃতিকে জিইয়ে রাখলেন ঐন্দ্রিলার দিদি ঐশ্বর্য শর্মা।

   

টানা যমে মানুষের লড়াইয়ের পর অবশেষে হার মেনেছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। মাত্র ২৪ বছরেই থেমেছে জীবন যুদ্ধের লড়াই। ২০১৫ সালের প্রথম ক্যান্সার ধরা পড়ে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মার। এরপর তারা দেড় বছর লড়াই করে সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু ২০২১ সালে ফের তার দেহে থাবা বাসায় মারন রোগ। কিন্তু সেক্ষেত্রেও অদম্য জেদ ও লড়াইয়ের জেরে ফের একবার ফিরে আসেন ঐন্দ্রিলা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না তৃতীয়বারের বেলায়।

অভিনয়ের পাশাপাশি একটি ইউটিউব চ্যানেল ছিল ঐন্দ্রিলার। যেখানে নানা ধরনের জিনিস নিয়ে বানাতেন ভ্লগ। অভিনেত্রীর দিদি ঐশ্বর্য জানালেন, “বোনের চ্যানেলে এখন নতুন কনটেন্ট দিতে আমার একটু ভয় লাগছে। তবে নতুন কিছু থাকছে। একটা মিউজিক ভিডিয়ো দেব। একটা শর্ট ফিল্ম বানানোর ইচ্ছে আছে। যেটার গল্প লিখেছে সবস্যচী। ও যদিও অভিনয় করছে না, ক্যামেরার পিছনে থাকছে”।

দিনকয়েক আগে লাল শর্ট ড্রেসে ধরা দিয়েছিলেন ঐশ্বর্য ক্যামেরাতে। সেটিও ছিল কিন্তু ঐন্দ্রিলারই জামা। ঐন্দ্রিলার তোলা একটি মিরর সেলফি শেয়ার করেছিলেন। আর ক্যাপশনে লিখেছিলেন, “হ্যাপি বার্থ ডে বিউটিফুল। মেনি হ্যাপি রিটার্নস অফ দ্য ডে। দিদিভাই তোকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে”।

২০২২- এর পয়লা নভেম্বর ব্রেন স্টোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন অভিনেত্রী। টানা কুড়ি দিন লড়াই করার পর অবশেষে হার মানেন জীবনের সবথেকে বড় তিক্ত সত্যির কাছে।

বোনের মৃত্যুর পরেই নিজেরদের ছোটবেলার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন ঐন্দ্রিলার দিদি ঐশ্বর্য। সেখানে কোথাও দেখা যাচ্ছে দুই বোন দুজনকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে ঐশ্বর্য হাত ধরে রয়েছেন একরত্তি ঐন্দ্রিলার। আর সেই সমস্ত পোস্টেই ক্যাপশন এর জায়গায় লেখা, “আমার ছোট্ট বুনু, সারা জীবন দুজন দুজনের হাত ধরে বেঁচে ছিলাম আছি থাকবো”।

মৃত্যুর পর থেকেই ঐন্দ্রিলার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম পেজকে সচল রেখেছে তাঁর পরিবার। তার আগের ছোট ছোট মুহূর্ত স্মৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায় আপলোড করেন দিদি ঐশ্বর্য। নিজের ছোট বোনকে এভাবেই স্মৃতির মধ্যে দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন তারা।

Back to top button