বিনোদন

ক্যান্সারে মৃত্যু হয়েছে মায়ের! টাইম মেশিনে করে ফের মায়ের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ ১১ বছরের বালকের

বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের মানুষ আসেন। তাদের গল্পও হয় বিভিন্ন রকম। এবার কৌন বানেগা ক্রোড়পতিতে কিডস জুনিয়র উইকে এসেছিল এক কিশোর। যার গল্প শুনে চোখে জল আসতে বাধ্য।

কৌন বানেগা ক্রোড়পতিতে চলছে কিডস জুনিয়র উইক। এই গোটা সপ্তাহ জুড়ে আসছে ৮-১৫ বছরের কিশোর-কিশোরীরা। তেমনি প্রতিযোগী হয়ে এসেছিল ১১ বছরের কিশোর বিহারের অক্ষয় আনন্দ। ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র সে। তার হৃদয়বিদারক কাহিনী শুনে জল চলে এসেছে বিগ বির চোখেও।

বাচ্চাদের জন্য স্পেশাল এই উইক এর নতুন নিয়ম হলো তাদের উপার্জিত যে টাকা হবে তা আপাতত পয়েন্ট হিসেবে থাকবে। এরপর যখন তাদের ১৮ বছর বয়স হবে তখন সে পয়েন্ট টাকা তে রুপান্তরিত হয়ে তাদের ব্যাঙ্ক একাউন্টে ঢুকে যাবে। অমিতাভ বচ্চন এই নিয়ম বলার সময় অক্ষয় আনন্দ তাকে কিছু বলার ইচ্ছে প্রকাশ করে।

এরপর সঞ্চালকের অনুমতিতে সে জানায়, “আপনার সাম্প্রতিক সিনেমা ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে। আমি সিনেমাটা ভালো লেগেছে। ছবিতে আপনার অভিনয় এবং চুলের স্টাইলটি দারুণ ছিল। আমি অনেক ‘অস্ত্রো’ দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিলাম। (অস্ত্র)। বানরাস্ত্র, নন্দিয়াস্ত্র, অগ্নিস্ত্র। সত্যিই এগুলো বেশ পছন্দ হয়েছে”।

এরপরেই অমিতাভ বচ্চন তাকে জিজ্ঞেস করেন তার পছন্দের অস্ত্র কোনটা ছিল। উত্তরে সে কিশোর বলে, “আমাকে যদি একটা অস্ত্র বাছাই করতে হয় তাহলে সেটা হবে টাইম ট্রাভেল। আসলে, আমার মা কয়েকদিন আগে মারা গিয়েছেন। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি বারাণসীতে থাকতেন যাতে তাঁর চিকিৎসার সুবিধা হয়। আর আমি থাকতাম দারভাঙ্গায়, বাবার সঙ্গে। যদি আমার কাছে এই টাইম ট্রাভেল অস্ত্র থাকত, তাহলে আমি আমার মায়ের সঙ্গে দেখা করতাম”। তার জবাব শুনে আবেগঘন হয়ে পড়েন শাহেনশা। জানান, তার মা যেখানেই থাকুক সেখান থেকেই তার জন্য গর্ব অনুভব করছেন।

Back to top button