সিরিয়াল

মায়ের সঙ্গে ফুলসজ্জার খাটে ছেলে! তীব্র বিতর্কের মাঝে মুখ খুললেন শিমুলের শাশুড়ি

পাড়ার পাঁচ বউ-এর বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে ইতিমধ্যেই বিয়ে হয়েছে মানালির। তবে ফুলশয্যার রাতের এক দৃশ্য দেখে রীতিমতো ক্ষেপে আগুন দর্শকরা। বউকে বাদ দিয়ে মায়ের সঙ্গে ফুলশয্যার খাটে ঘুমোলো ছেলে। এই দৃশ্য দেখে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এরমধ্যেই এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন শিমুলের শাশুড়ি।

ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে, শিমুলের স্বামী পরাগের মা অন্ত প্রাণ। কিন্তু তাই বলে ফুলশয্যার রাতে বউকে বাদ দিয়ে মায়ের সঙ্গে ঘুমোবে এই বিষয়টি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না দর্শকরা। দেখা যায় বউয়ের জন্য উপহার নিয়ে এসেছে পরাগ কিন্তু সেই সময় চলে আসে তার মা। শরীর খারাপের নাটক করে। শেষমেশ দেখা যায়, ফুলশষ্যার খাটে ছেলের বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকল মা, আর নতুন বউয়ের জায়গা হয় চেয়ারে। এই দৃশ্য দেখে বেজায় খেপে গিয়েছেন দর্শকরা।

এই নিয়ে পর্দার শাশুড়ি অভিনেত্রী রীতা দত্ত চক্রবর্তী এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, “প্রথমত সমাজমাধ্যমের পাতায় কী লেখা হচ্ছে সেই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কারণ, আমি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে একদমই সক্রিয় নই। সিরিয়ালে যা দেখানো হয়েছে, তার সঙ্গে হয়তো শহুরে পরিবারের কিংবা মায়েদের কোনও মিল পাওয়া যাবে না। তবে লেখক তো কিছু ভেবেই এমন দৃশ্য লিখেছেন। আর যাঁরা ছেলের সঙ্গে মায়ের ফুলশয্যার মতো কটূক্তি করছেন, সে বিষয়ে বলব এটা সম্পূর্ণ বিকৃত মানসিকতার প্রতিফলন। আমার ছেলেও বাইরে থেকে কলকাতায় এলে আমরা একসঙ্গে শুই। এমন ধরনের ভাবনা সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না”।

ক্ষুব্ধ দর্শকরা লিখেছেন, “এটা কোনও গল্প? মায়ের সঙ্গে ছেলে ফুলসজ্জার খাটে? এসব দেখে কি শিখবে সমাজ? কার চিন্তা ভাবনা এত জঘন্য?” কেউ আবার লিখেছেন, “নোংরামি দেখানোরও তো একটা সীমা আছে। আপনারা টিআরপির জন্য যা ইচ্ছা কেন দেখান?” কারোর কথায়, এই ধরনের সিরিয়াল বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

মূলত টিআরপি বাড়ানোর জন্যই এই ধরনের এপিসোড দেখানো হচ্ছে বলে মনে করছেন দর্শকদের একাংশ।ফুলসজ্জার খাটে মা-ছেলেকে কখনই দেখানো উচিত নয় বলে মন প্রকাশ করেছে একাংশ।এই ধরণের দৃশ্যের বিরোধীতা করছে সাধারণ মানুষ।

Back to top button