মেয়েদের জায়গা একমাত্র রান্নাঘরে। এমনটাই মনে করতেন প্রবাদ-প্রতিম গায়ক কিশোর কুমার। আর তারই মনোভাবের জন্যই বলা যায় তার একটিও বিয়ে টেকেনি। কারণ তার চারজন স্ত্রী ছিলেন নিজেদের পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু গায়ক কখনোই চাইতেন না তার থেকে তার স্ত্রীর নাম যশ বেশি হোক। আর সেই কারণেই একের পর এক বিচ্ছেদ।
তার প্রথম স্ত্রী রুমা গুহ ঠাকুরতা যেমন সুদক্ষ গায়িকা ছিলেন ঠিক তেমনি ছিলেন দক্ষ অভিনেত্রী। নিজের থেকে তার স্ত্রী বেশি গুনসম্পন্ন হওয়ায় সব সময় যেই চাইতেন স্ত্রীকে পদানত করে রাখতে। আর তাই এই নিয়ে নিত্য অশান্তি লেগেই থাকতো।
অল্প সময়ের মধ্যেই শ্রোতা-দর্শকের মনে নিজের একটা পাকাপাকি জায়গা দখল করে নিয়েছিলেন এই বঙ্গতনয়া। বাংলা এবং মুম্বই–দুই জায়গার শিল্প জগতেই কদর তৈরি হয়েছিল অভিনেত্রী-গায়িকার। স্ত্রীর এই জনপ্রিয়তা সহ্য করতে পারছিলেন না তিনি। এই নিয়ে অশান্তি চরমে উঠলে একদিন সংসার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন রুমা গুহ ঠাকুরতা।
৭ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষ করে দিয়ে একাই থাকতে শুরু করেন রুমা। তবে সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছেন উভয়ই। এরপর একে একে মধুবালা, যোগিতা বালির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এবং বিয়ে করেন কিশোর কুমার। যদিও সেই সম্পর্ক টেকেনি। কিশোর ৫৬ বছর বয়সে এসে বিয়ে করেন ২১ বছরের ছোট ভারতীয় অভিনেত্রী লীনা চন্দ্রভারকরকে। ১৯৮০ সালে বিয়ে করেন তাঁরা।
অপরদিকে রুমা গুহ ঠাকুরতা বেশ কিছুদিন একা থাকার পর বিয়ে করেন পরিচালক অরূপ গুহ ঠাকুরতাকে।