নিজেরা সিনেমা জগতে পা রাখলেও এখনও তাঁরা পরিচিত বাবার পরিচয়েই। মিঠুন চক্রবর্তী, নামটাই যথেষ্ট। তাই বাবার নাম নিলেই ছেলেদের আর আলাদা করে পরিচয় দিতে লাগে না। কিন্তু এই ছেলেদেরই এবার আপত্তি বাবার পরিচয় নিয়ে। তাঁদের আক্ষেপ শুধু বাবা কেন, তাঁদের মাও যথেষ্ট জনপ্রিয়। তাহলে মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবেন না কেন তাঁরা?
সিনে জগতে যথেষ্ট জনপ্রিয় মুখ যোগিতা বালি। কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তীর চার ছেলে মেয়েই তাঁদের বাবার নামেই পরিচিত। আর এই নিয়েই আক্ষেপ প্রকাশ করেছে তাঁর ছোট ছেলে নমশি চক্রবর্তী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।
নমশি জানিয়েছে, “শুধু বাবা কেন, মায়ের পরিচয়ও বাঁচতে চান তাঁরা। বাবা মায়ের চার সন্তান, তিন ছেলে এবং এক মেয়ে। ডিসকো ড্যান্সার এর সন্তান হওয়ার কিছু সুবিধা তো রয়েছেই। কিন্তু, মাকে নিয়েও তাদের গর্বের শেষ নেই।আমাদের মা যে আশির দশকে এতগুলো সিনেমা করেছেন সেটা অনেকেই জানে না। তাঁর পরিচয়ে আমাদের কেউ চেনেই না। আমার মা কিন্তু সে যুগে একজন অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন।”
মিঠুনের ছোট পুত্র আরও বলেন, “আশির দশকে মা কাজ করেছেন ১০০টির বেশী ছবিতে। মায়ের অনেক সিনেমা আছে, যেগুলি যাতে আমরা না দেখি সেই চিন্তা করত মা। লজ্জা পেত। তবে, অনেক ছবি আছে আমার খুব ভাল লাগে। বাবার সঙ্গে মাকে অনস্ক্রিন দেখতেই খুব ভাল লাগত।”
প্রসঙ্গত, অনেকের সঙ্গে সম্পর্কের টানা করেন শোনা গেলেও যোগিতা বালির সঙ্গে এখনও সুখে শান্তিতে সংসার করছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাদের দাম্পত্যের বয়স হলো ৪৪ বছর। ১৯৭৮ সালে কিশোর কুমারের সঙ্গে ডিভোর্সের পরের বছর মিঠুনকে বিয়ে করেন যোগিতা। এই জুটির চার সন্তান, তিন পুত্র- মহাক্ষয় চক্রবর্তী, উষ্মে চক্রবর্তী এবং নামাশী চক্রবর্তী এবং দত্তক কন্যা দিশানি।মিঠুন চক্রবর্তী যখন হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন, তখন তাঁকে একপ্রকার গড়ে তুলেছিলেন যোগিতা বালি। বলিউডে মিঠুনের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন যোগিতা। তাই সুখে দুঃখে ভরসায় আজও তাদের সম্পর্ক অটুট রয়ে গেছে।