গসিপ

রানীকে সহ্যই করতে পারেননা কাজল, বোনে বোনে কি তবে অশান্তি? নেপথ্যে কারণ কী?

করণ জোহরের প্রথম ছবি কুচ কুছ হোতা হ্যায়-তে একসঙ্গে প্রথম অভিনয় করেছেন রানী মুখার্জি এবং কাজল। ৯০ দশকের এই ছবি সেই সময়ের ছেলেমেয়েদের কাছে আবেগ। প্রেম বন্ধুত্ব ভালবাসা সব কিছুরই সংজ্ঞা বদলে দিয়েছিল এই ছবি। কিন্তু ছবির পেছনে রয়েছে এক কাহিনী। জানা যায় এই ছবির শুটিং করতে আসার সময় রানী এবং কাজল এই দুই তুতো বোন কেউ নাকি কারোর সঙ্গে কথাই বলতেন না। কিন্তু কেন?

জানা যায়, সিনেমার সেটে যখন অন্যান্য অভিনেতা অভিনেত্রীরা একে অপরের সঙ্গে হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠতেন তখন রানী এবং কাজল যতটা পারতেন একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন।সম্প্রতি কফি উইথ করণ শোতে এসেছিলেন রানী মুখার্জি এবং কাজল। সেখানে করণ জোহর এই প্রসঙ্গ তোলেন।

এই জবাব দিয়ে কাজল বলেন, “বিষয়টা একেবারেই তেমন নয়। আমাদের মধ্যে কোন দূরত্ব ছিল না সেই ভাবেই। আসলে আমরা যখন অভিনয়ে জগতে এসেছি তখন বেশ লড়াই করতে হতো আমাদের, তাই নিজের অভিনয় নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকতাম আমরা। আর ছোট থেকেই আমার বোনের সঙ্গে ওর বন্ধুত্ব বেশি ছিল। আমার সঙ্গে কম কথা হতো ওর। তাই সেই ভাবে ওর সাথে বন্ধুত্ব তখন গড়ে ওঠেনি”।

প্রসঙ্গ টেনে রানী বলেন, “আমি ছোট থেকেই ওকে কাজল দিদি বলে চিনি। একটা দিদি হওয়ার জন্য যে সম্মান দেওয়া উচিত সেটাই ওকে দিতাম তাই আমাদের মধ্যে প্রথম থেকেই দূরত্ব ছিল। ওর থেকে বেশি তানিশার সঙ্গে আমার কথা হতো। আর এমনিতেই পরিবারের ছেলেদের সঙ্গে কাজলের বন্ডিং বেশি ছিল মেয়েদের থেকে”।

প্রসঙ্গত, রানী মুখার্জির কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় ব্রেক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কিন্তু এখনও নার্ভাস হয়ে পড়েন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে করন জোহারের এই ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। আর এটাই ছিল তার সব থেকে বড় ব্রেক। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অভিনেত্রীকে। নাম যশ খ্যাতি সবকিছুই মিলেছে এই সিনেমার পর থেকে।

এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, “যখন আমি কুছ কুছ হোতা হ্য়ায় করেছিলাম, তখন আমার বয়স ছিল ১৭। এত অল্প বয়সে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করার সময় খুব নার্ভাস লেগেছিল। তাও ভাগ্যিস পরে টিনা চরিত্রটির মৃত্যু হয়। না হলে পুরো ছবি জুড়ে মা হয়ে ঘুরতে হত”।

Back to top button