বিনোদন

নক্ষত্র পতন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতে! প্রয়াত রশিদ খান

মাত্র ৫৫ বছরেই থামলো যাত্রা। প্রয়াত হলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদ প্রতীম গায়ক উস্তাদ রশিদ খান। মঙ্গলবার বেলা ৩.৪৫ নাগাদ পিয়ারলেস হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। ২২ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। আজ সকালেই তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়।

   

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস যান হাসপাতালে। এদিন সন্ধ্যে ছটায় তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে পিস ওয়ার্ল্ডে। এরপর বুধবার সকাল নটা নাগাদ দেহ নিয়ে যাওয়া হবে রবীন্দ্র সদনে। এরপর সেখানে তাঁকে গান স্যালুট দেবে রাজ্য। তারপর সেখান থেকে দেহ যাবে তাঁর বাড়িতে। টালিগঞ্জের কবরস্থানে হবে শেষকৃত্য।

জন্মসূত্রে উত্তরপ্রদেশের গদায়ুর বাসিন্দা ছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালের এপ্রিলে ১৪ বছর বয়সে প্রথম কলকাতায় আসেন তিনি। তাঁর বাবা হামিজ রশিদ খানও ছিলেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী। ভীম সেন যোশী বলতেন, রশিদ খানের গান শুনলে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ভবিষ্যত নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়। ২০০৬ সালে পদ্মশ্রী পান, ২০২২-এ পদ্মভূষণ পান। পেয়েছেন বঙ্গবিভূষণও।

প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সঙ্গীত শিল্পী রশিদ খান। মঙ্গলবার তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। রাখা হয়েছে অক্সিজেনের সাহায্যে। এদিন সকালে অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যায়। তখনই তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)-এর ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

প্রস্টেটে ক্যানসার নিয়ে প্রথম থেকেই ভুগছিলেন তিনি। মাঝে একটু ভালো হলেও বারবার মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে। এরফলে ক্রমেই অবস্থার অবনতি হলে মাস খানেক আগে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে সব মায়া ছিন্ন করে মঙ্গলবার দুপুরে কিংবদন্তি শিল্পী পাড়ি দিলেন অমৃতলোকে।

Back to top button