বিনোদন

লিফটের ভেতর স্বল্প বসনে রশ্মিকা! ভিডিও ভাইরাল হতেই যা সামনে এলো….এই ঘটনা ভয় ধরাবে আপনাকেও

লিফটের ভেতর স্বল্প বসনে রশ্মিকা মন্দনা। উন্মুক্ত উরু, দৃশ্যমান বক্ষ বিভাজিকা। মুখ উজ্জ্বল এবং হাসিখুশি। এই রকমই এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু আসল সত্য জানলে চমকে যাবেন আপনিও। আদতে এই মহিলা রশ্মিকাই নন। হ্যা সত্যি এটাই।

আসল বিষয়টি খুলে বলা যাক। পুরো বিষয়টিই প্রযুক্তির মাধ্যমে করা। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তার অপব্যবহার করা হয়েছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে রশ্মিকার ডিপফেক ভিডিয়ো তৈরি করেছেন এক মহিলা। তাঁর নাম জ়ারা প্যাটেল।

ভুয়ো ভিডিয়ো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়েছে। ভিডিওটি যে ডিপফেক তা প্রথম বলেন অভিষেক কুমার নামক এক সাংবাদিক। তীব্র প্রতিবাদ করেন অমিতাভ বচ্চনও। যে বা যারা রশ্মিকার ছবি নিয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও আবেদন করেছেন তিনি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ভিডিয়োটি অবিলম্বে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “কোনও ব্যবহারকারী যাতে কোনও ভুল তথ্য না দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারের কাছে এ ধরনের কোনও অভিযোগ এলে, সেই ভুল তথ্য ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে মুছে দিতে হবে। যদি কোনও সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম এই নিয়ম না মানে তাহলে সাংবিধানিক নিয়মের রুল-৭ প্রয়োগ করে প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। প্রয়োজনে আদালতেও নিয়ে যাওয়া হবে”।

অপরদিকে রশ্মিকা নিজে এক্স হ্যান্ডেলে জানান, “সোশ্যাল মিডিয়াতে আমার একটি ডিপফেক ভিডিয়ো ছড়িয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত কুরুচিকর। এটা নিয়ে কথা বলতে আমার খুব খারাপ লাগছে। আমি আহত হয়েছি। একইসঙ্গে আমার ভয় করছে । এই পর্যায়ে এসে প্রযুক্তির অপব্যবহার হচ্ছে এখন। এই কঠিন সময়ে সকলে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন দেখে ভাল লাগছে। খালি মনে হচ্ছে, আমি যদি স্কুল-কলেজে পড়া কোনও ছাত্রী হতাম আর তখন যদি আমার এই ভিডিয়ো তৈরি করা হত, তখন আমার পরিবার কী করত। আমাদের সক্কলের একজোট হয়ে এবার কথা বলা দরকার এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে”।

Back to top button