ভাইরাল

কেউ পছন্দ করে না! এবার নিজের বহুদিনের এই অভ্যাস পাল্টাতে চলেছেন ‘স্মার্ট দিদি’ নন্দিনী

ডালহৌসি চত্বরে কয়লা ঘাটের কাছে একটি পাইস হোটেল। বাবা মা মেয়ে মিলে চালায় সেই হোটেল। আর এতেই রাতারাতি সেলিব্রেটি বনে গিয়েছেন নন্দিনী। তিনি এখন স্মার্ট দিদি। তার গল্প লোকের মুখে মুখে ফেরে। রান্না থেকে খাবার পরিবেশন বলতে গেলে সব টাই করেন একা হাতে। দেখা যায় নিজের বয়সী বা তার থেকে ছোট সকলেই তুই তোকারি করেন তিনি। যে বিষয়টি অনেকেরই অপছন্দ। এবার নিজের সেই স্বভাবই বদলাতে চলেছেন তিনি।

   

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে জানান, “আমি আর কাউকে তুই তোকারি করব না। আমি সবাইকেই নিজের বলে মনে করি, তাই তাদের কাছে টেনে নেওয়ার জন্য তুই তুই করে কথা বলি। কিন্তু এটা অনেকেই বোঝে না। পছন্দ করে না। উল্টে রেগে যায়। তাই আমি এখন সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলব”।

কিছুদিন আগেই এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। দেখা গিয়েছিল, এই নন্দিনীই মেজাজ হারালেন, বলে বসলেন অশ্রাব্য ভাষা। আর মুহূর্তেই ভাইরাল হল সেই ভিডিও। ভাইরাল ভিডিও দেখে যা বোঝা গিয়েছে তার মর্মার্থ এই যে, একটি নতুন ছেলেকে কাজে রেখেছে নন্দিনী। কিন্তু সেই ছেলেটির অসাবধানতায় একটু বেশিই আগুন ধরে গিয়েছে উনুনে। আর তাতে তেল ভর্তি কড়াই চাপিয়ে দিয়েছে সেই ছেলেটি।

এই ঘটনা দেখেই মেজাজ হারান নন্দিনী। বলেন, “একটা গাধার বাচ্চাকে রেখেছো আগুনের সামনে। আমার দোকান বন্ধ করিয়ে দেবে”। বাবার উপরে মারাত্মক রেগে যান তিনি। বলেন, “জানোয়ার লোক… তোমার কপালে দুঃখ আছে। আমাকে অপমান করো”।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে তাঁর পাইস হোটেলের রোজ দুপুরে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। তিনি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন যে দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চেও ডাক পড়েছিল তার। রান্না-বান্না থেকে ক্রেতাদের খাবার পরিবেশন সবটাই নিজে হাতে সুন্দর করে সামাল দেন তিনি।

যদিও তাঁকে নিয়ে বিতর্কও রয়েছে প্রচুর। লকডাউনে চাকরি ছেড়ে এসে বাবা মায়ের পাশে দাড়ান। নিজের হাতে তুলে নেন হোটেলের দায়িত্ব। সেই থেকে শুরু। এরপর তাঁর এই লড়াইয়ের গল্প একদিন এক ব্লগারের তুলে ধরেন স্যোশাল মিডিয়ায়। সেখান থেকেই রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যান ‘স্মার্ট দিদি’ নন্দিনী। এখন তাঁর দোকানের সামনে রোজই লেগে থাকে ব্লগারদের ভিড়।

Back to top button