সিনেমা

লাল হনুমান টুপিতে চেনা যাচ্ছে এই খুদেকে? ইনি এখন জাতীয় পুরস্কার জয়ী বাঙালি পরিচালক

ছোট বেলার স্মৃতি সবসময়ই মধুর। যতই সবাই বড় হয়ে যাকনা কেন বারবার ফিরে যেতে মন চায় ছোটবেলায়। আর তাই হয়তো ছোট বেলার ছবি দেখেই আমরা সেই দুধের স্বাদ খানিকটা ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করি। তাই এবার সেই রকম ইচ্ছে নিয়েই ছোটবেলার ছবি পোস্ট করেছেন এই পরিচালক। ছবি দেখে কিন্তু তাঁকে চেনার উপায় নেই একটুকুও।

লাল মাঙ্কি ক্যাপ সঙ্গে মেরুন রংয়ের সোয়েটার পরে বাবার পাশে বসে রয়েছেন এক ছোট্ট ছেলে। তাকে দেখে কোনমতেই চেনার উপায় নেই। বড়বেলার সঙ্গে মুখের তেমন কোন মিল নেই। তবে এই খুদে কিন্তু এখন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বনামধন্য বাঙালি পরিচালক।

আরও পড়ুন: তুমি দেখিয়ে দিলে বাঙালি অভিনয়টাও পারে! যীশু লুক দেখে মুগ্ধ ভক্তরা, নতুন রূপে চেনা দায় অভিনেতাকে

ইনি হলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে পুজোর ছবির প্রচার নিয়ে দারুণ ব্যস্ত পরিচালক। পূজোতেই মুক্তি পাবে তার ছবি দশম অবতার। তার আগে প্রচারের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। পঞ্চমীতে ছবি মুক্তির পর বাংলার প্রেক্ষাগৃহ জুড়ে সেই ছবি দেখার ধুম পড়তে চলেছে বলেই আশা করা যায়।

সম্প্রতি এক বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গিয়ে ইংরেজিতে কথা বলার জন্য সমালোচনার শিকার হয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে পরিচালক লিখেছেন, “একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে, যেখানে সঞ্চালনা ইংরেজি এবং বাংলা দুই ভাষাতেই হচ্ছিল, সেখানে আমার ইংরেজিতে কথা বলা নিয়ে কিছু মানুষ আপত্তি জানিয়েছেন দেখলাম। তাঁদের জ্ঞাতার্থে বলি যে, যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অবাঙালি, যেখানে তিনি মুখের সামনে বসে আছেন আর যেখানে কোনও অনুবাদক বা অনুবাদ যন্ত্র নেই, সেখানে আমি ইংরেজিতে কথা বলা ভদ্রতা বলে মনে করি”।

আরও পড়ুন: ‘বাঘা যতীন’ ছবির জন্য বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খুদেরা গাইল গান! দেবকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিল নেটদুনিয়া

এই বিষয়ে যে তিনি একেবারেই অনুতপ্ত নন সেটাও তার লেখার মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে। তার সংযোজন, “যাঁরা এই ব্যপারে দ্বিমত পোষণ করেন, করতেই পারেন, এই ব্যাপারে আমি অপারগ। আমার মাতৃভাষার প্রতি প্রেম এবং সাধারণ সহবত, এর মধ্যে স্ট্যাটিস্টিক্সের ভাষায় ‘Spurious correlation’ আছে বলে আমার বদ্ধমূল বিশ্বাস”।

Back to top button